Rheum palmatum

Adolph von Lippe দ্বারাMateria Medica-র পাঠ্যপুস্তক

চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের জন্য ঐতিহাসিক তথ্যসূত্র। নিচের বক্তব্যগুলো উল্লিখিত লেখকের হোমিওপ্যাথিক শিক্ষার প্রতিফলন এবং চিকিৎসার কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠা করে না। এই লেখা চিকিৎসা-পরামর্শ নয় এবং যথাযথ রোগনির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মন ও মেজাজ

অস্থিরতা, সঙ্গে কান্নার প্রবণতা।

শিশু প্রবলভাবে ও কাঁদতে কাঁদতে নানা জিনিস দাবি করে।

অলস ও স্বল্পভাষী।

মস্তক

মস্তকে ভারবোধ, সঙ্গে সেখানে ঊর্ধ্বমুখে উত্তাপ ওঠে।

ভোঁতা, বোধবিহ্বলকর মাথাব্যথা, সঙ্গে চোখ স্ফীত।

উদর থেকে ঊর্ধ্বমুখে উঠে মস্তকে স্পন্দন।

চোখ

চোখে স্পন্দন।

চোখ টলমল করে ও জলে ভরে থাকে, বিশেষত খোলা বাতাসে।

চোখের মণি সংকুচিত।

চোখের পাতায় খিঁচুনিময় ঝাঁকুনি।

চোখ দুর্বল ও নিষ্প্রভ, বিশেষত কোনো বস্তুর দিকে একদৃষ্টে তাকালে।

কান

কানে স্পন্দন।

কর্ণপটহ শিথিল হয়ে গেছে যেন—এমন শ্রবণশক্তির মন্দতা।

নাক

নাকের গোড়ায় বোধবিহ্বলকর টানধরা অনুভূতি, যা নাকের ডগা পর্যন্ত প্রসারিত হয় এবং সেখানে ঝিনঝিন করে।

মুখমণ্ডল

মুখের ত্বকে টানটান ভাব।

কপালের পেশিগুলি পরস্পরের দিকে টেনে সংকুচিত ও কুঞ্চিত হয়।

মুখে শীতল ঘাম, বিশেষত নাক ও মুখের চারপাশে।

মুখ ও গলা

দাঁতে যন্ত্রণাদায়ক শীতলতার অনুভূতি, সঙ্গে প্রচুর লালা জমে।

শিশুদের কষ্টকর দন্তোদ্গম।

জিহ্বা অবশ ও অনুভূতিহীন হয়ে যায়।

পাকস্থলী ও উদর

অত্যধিক মিষ্টি না হলে কফির প্রতি বিরাগ।

ক্ষুধা থাকে, কিন্তু রুচি নেই।

নানা জিনিস খেতে ইচ্ছা করে, কিন্তু প্রথম গ্রাসেই তৃপ্তি আসে; সঙ্গে সঙ্গেই তা প্রত্যাখ্যান করে।

যেন উদর থেকে বমিভাব উঠছে, সঙ্গে শূলবেদনা।

খাবার মুখে থাকাকালীন তেতো লাগে।

পাকস্থলীর অঞ্চলে টানটান ভাব।

পাকস্থলী যেন অতিরিক্ত বোঝাই—এমন পূর্ণতার অনুভূতি।

উদরে টানটান ভাব ও ফাঁপাভাব।

উদরে প্রচণ্ড ব্যথা, সঙ্গে কেটে যাওয়ার মতো ব্যথা, যার জন্য শরীর দ্বিগুণ ভাঁজ করে শুয়ে থাকতে হয়; দাঁড়ালে অনেক বেশি বেড়ে যায়।

উদরের পেশিতে ঝাঁকুনি।

পেটফাঁপা থেকে হচ্ছে যেন—এমন উদরে কেটে যাওয়ার মতো ব্যথা ও গুড়গুড় শব্দ।

মল ও মলদ্বার

বারবার মলত্যাগের নিষ্ফল বেগ, নড়াচড়ায় ও হাঁটলে বৃদ্ধি পায়।

পাতলা, মণ্ডসদৃশ, টক গন্ধযুক্ত অতিসারের মল; মলত্যাগের আগে কোঁতানি, পরে উদরে শূলজাতীয়, সংকোচনকারী ছেদনবেদনা এবং মলত্যাগের সময় শীতশীত ভাব।

শ্লেষ্মাযুক্ত অতিসার।

মল বাদামি, শ্লেষ্মামিশ্রিত।

প্রসূতি নারীর; শিশুদের অতিসার।

মূত্রযন্ত্র

মূত্রের নিঃসরণ বৃদ্ধি।

মূত্র লাল অথবা সবুজাভ-হলুদ।

মূত্রাশয় দুর্বল; মূত্রত্যাগের জন্য প্রবল চাপ দিতে হয়।

মূত্রাশয়ে জ্বালা।

শ্বাসযন্ত্র

বুকের ঊর্ধ্বাংশে ভার চাপানো আছে যেন—এমন শ্বাসকষ্ট।

স্তনবৃন্তে সূচবিদ্ধের মতো তীক্ষ্ণ ব্যথা।

স্তন্যদানকারী নারীর দুধ হলুদ ও তেতো; শিশু স্তনগ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।

পিঠ

ত্রিকাস্থি ও নিতম্বসন্ধিতে কাঠিন্য, যার জন্য সোজা হয়ে হাঁটা যায় না।

অঙ্গপ্রত্যঙ্গ

ঊর্ধ্ব অঙ্গ। বাহু, হাত ও আঙুলে ঝাঁকুনি।

হাতের শিরাগুলি স্ফীত।

হাতের তালুতে শীতল ঘাম।

কনুইসন্ধিতে বুদ্‌বুদ ওঠার অনুভূতি।

নিম্ন অঙ্গ। উরুর পেশিতে ঝাঁকুনি।

উরুতে ক্লান্তির অনুভূতি।

হাঁটুর ভাঁজ থেকে গোড়ালি পর্যন্ত বুদ্‌বুদ ওঠার অনুভূতি।

হাঁটুর ভাঁজে কাঠিন্য, নড়াচড়ায় ব্যথা হয়।

সাধারণ লক্ষণসমূহ

পেশি ও সন্ধিতে যেন ছোট ছোট বুদ্‌বুদ উঠছে—এমন অনুভূতি।

যে অঙ্গের ওপর শোয়া হয়, সেটি অবশ হয়ে যায়।

সমগ্র শরীরে দুর্বলতা ও ভারবোধ, যেন গভীর ঘুম থেকে জেগে উঠছে।

সন্ধিগুলি নাড়ালে ব্যথা হয়।

নিদ্রা

রাতে অস্থির ঘুম, সঙ্গে ছটফটানি, কান্না, কাতর ধ্বনি ও গোঙানি; অথবা চোখের পাতা, মুখের পেশি ও আঙুলে খিঁচুনিময় ঝাঁকুনি, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে।

ঘুমের পর জেগে উঠলে মাথাব্যথা, মুখে দুর্গন্ধ এবং চেতনার লোপ।

ঘুমোতে যাওয়ার সময় ও ঘুমের মধ্যে হাত দুটি মাথার ওপর প্রসারিত থাকে।

জ্বর

শীতশীত ভাব ও উত্তাপ পর্যায়ক্রমে আসে।

এক গাল লাল এবং অন্যটি ফ্যাকাশে।

ভেতরে শীতশীত ভাব, বাইরে উত্তাপ।

সমগ্র শরীরে উত্তাপ, প্রধানত হাত ও পায়ে, সঙ্গে মুখ ঠান্ডা।

তৃষ্ণা ছাড়াই উত্তাপের প্রাধান্য।

সামান্য পরিশ্রমেই ঘাম।

নাক ও মুখের চারপাশে শীতল ঘাম।

কপাল ও মাথার ত্বকে ঘাম।

ঘাম হলুদ বর্ণের দাগ ফেলে।

প্রযোজ্যতা

শিশুদের জন্য বিশেষ উপযোগী, বিশেষত স্তন্যপায়ী শিশুদের অথবা দন্তোদ্গমকালে।

Similia প্ল্যাটফর্মটি সম্পূর্ণভাবে অন্বেষণ করুন

21টি ক্লাসিক মেটেরিয়া মেডিকা বই, 7টি ক্লাসিক্যাল রেপার্টরি, AI অর্থভিত্তিক অনুসন্ধান, এবং মৌলিক কেস ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করুন — ফ্রি.

মূল্য নির্ধারণ দেখুন